Registration for OHYAB is now open!
ইউরোপে ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স করার স্বপ্ন যাদের আছে, তাদের কাছে "ইরাসমুস মুন্ডুস" নামটা মোটামুটি পরিচিত। কিন্তু নাম শোনা আর পুরো প্রক্রিয়াটা বোঝা—এই দুটোর মধ্যে বিস্তর ফারাক। আজকের লেখায় চেষ্টা করব পুরো বিষয়টা একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুঁটিনাটি সহ বুঝিয়ে বলার—এটা আসলে কী, কে আবেদন করতে পারবে, কী কী কাগজপত্র লাগবে, আবেদন কীভাবে ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাই হয়, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজেকে বাকি হাজার হাজার প্রতিযোগীর থেকে আলাদা করে তোলার উপায় কী।
ইরাসমুস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স ডিগ্রি (সংক্ষেপে EMJMD) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটা স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, যেখানে আপনি একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স করবেন, কিন্তু একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়—দুই বা তিনটা (অনেক সময় চারটাও) ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে ঘুরে পড়াশোনা করবেন। ধরুন প্রথম সেমিস্টার জার্মানিতে, দ্বিতীয়টা ফ্রান্সে, আর থিসিসের সময় স্পেনে—এভাবে পুরো কোর্সটা কয়েকটা দেশের কনসোর্টিয়াম মিলে চালায়।
এই স্কলারশিপে ঠিক কী কী পাওয়া যায়, সেটা একটু ভেঙে দেখা যাক:
টিউশন ফি: প্রোগ্রামের পুরো টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ।
মাসিক ভাতা: সাধারণত মাসে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৪০০ ইউরো, যা থাকা-খাওয়া-যাতায়াতের খরচ কাভার করে। কোর্সের মেয়াদ ১২ থেকে ২৪ মাস হওয়ায় মোট অঙ্কটা সহজেই ২৫,০০০-৩৩,০০০ ইউরো ছাড়িয়ে যায়।
ভ্রমণ ভাতা: দেশ থেকে ইউরোপে আসা-যাওয়ার বিমান খরচ এবং এক দেশ থেকে আরেক দেশে মোবিলিটির জন্য আলাদা ভাতা।
স্বাস্থ্য বিমা: পুরো কোর্স চলাকালীন সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিমা কভারেজ।
ভিসা ও ইনস্টলেশন খরচ: ভিসা ফি এবং নতুন দেশে সেটেল হওয়ার প্রাথমিক খরচও অনেক প্রোগ্রামে কভার করা হয়।
সংক্ষেপে, এটা প্রায় "শূন্য খরচে" ইউরোপে মাস্টার্স করার একটা সুযোগ। আর ঠিক এই কারণেই প্রতিযোগিতাটাও ভীষণ কঠিন—বেশিরভাগ প্রোগ্রামে গ্রহণযোগ্যতার হার মাত্র ২ থেকে ৫ শতাংশ, আর প্রতিটা প্রোগ্রামে সাধারণত ৯০-১০০ জনের মতো স্কলারশিপ পান বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার আবেদনকারীর মধ্য থেকে।
সুখবর হলো, পৃথিবীর যেকোনো দেশের নাগরিক এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন—বাংলাদেশ থেকেও প্রতি বছর অনেকে সুযোগ পান। তবে যোগ্যতার শর্তগুলো একটু খুঁটিয়ে বোঝা জরুরি:
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত একটা ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে (অন্তত ১৮০ ইসিটিএস ক্রেডিটের সমমান)। ব্যাচেলরের শেষ বর্ষে থাকা অবস্থায়ও আবেদন করা যায়, শর্ত হলো মাস্টার্স শুরুর আগেই ডিগ্রি সম্পন্ন হতে হবে।
ক্যাটাগরি A ও ক্যাটাগরি B: আবেদনকারীদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়। "প্রোগ্রাম কান্ট্রি" বলা হয় ইইউ সদস্য দেশ এবং কিছু সংযুক্ত দেশকে (যেমন নরওয়ে, আইসল্যান্ড, তুরস্ক, সার্বিয়া)। বাকি সব দেশ "পার্টনার কান্ট্রি"। বাংলাদেশের মতো পার্টনার কান্ট্রি থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সাধারণত ক্যাটাগরি A হিসেবে গণ্য হন, এবং এই ক্যাটাগরির জন্যই মূলত বেশি স্কলারশিপ বরাদ্দ থাকে।
ইউরোপে অবস্থানের সীমা: গত পাঁচ বছরে কোনো প্রোগ্রাম কান্ট্রিতে (পড়াশোনা, প্রশিক্ষণ বা কাজের কারণে) টানা বারো মাসের বেশি সময় থেকে থাকলে, পার্টনার কান্ট্রির নাগরিক হলেও আপনি ক্যাটাগরি A থেকে বাদ পড়ে যাবেন এবং ক্যাটাগরি B হিসেবে বিবেচিত হবেন—যেখানে স্কলারশিপের সংখ্যা তুলনামূলক কম।
আগের স্কলারশিপের ইতিহাস: এর আগে ইরাসমুস মুন্ডুস বা ইরাসমুস+ এর মতো কোনো ইইউ-অর্থায়িত স্কলারশিপ পেয়ে থাকলে, আবার আবেদন করার সুযোগ নেই।
ভাষাগত দক্ষতা: প্রায় সব প্রোগ্রামেই ইংরেজিতে দক্ষতার প্রমাণ লাগে। IELTS Academic বা TOEFL iBT সবচেয়ে বেশি চাওয়া হয়, কিছু প্রোগ্রাম Duolingo English Test বা PTE Academic-ও গ্রহণ করে। প্রতিটা প্রোগ্রামের ন্যূনতম স্কোরের চাহিদা আলাদা, তাই আবেদনের আগে অবশ্যই যাচাই করে নিতে হবে।
আবেদনের সংখ্যাগত সীমা: একই শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ তিনটা আলাদা EMJMD প্রোগ্রামে আবেদন করা যায়।
আবেদনের পুরো যাত্রাটা মোটামুটি এই ধাপগুলোতে ভাগ করা যায়:
প্রোগ্রাম খোঁজা: ইরাসমুস মুন্ডুস ক্যাটালগ ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের বিষয় বা ক্ষেত্র অনুযায়ী সার্চ করে উপযুক্ত প্রোগ্রামের তালিকা তৈরি করা।
শর্টলিস্টিং: প্রতিটা প্রোগ্রামের কারিকুলাম, কোন কোন দেশে/বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে, ভাষার শর্ত, ও ডেডলাইন যাচাই করে ২-৩টা প্রোগ্রাম বেছে নেওয়া (মনে রাখবেন, সর্বোচ্চ তিনটা পর্যন্ত আবেদন করা যায়)।
ডকুমেন্ট প্রস্তুতি: সিভি, মোটিভেশন লেটার, সুপারিশপত্র, ট্রান্সক্রিপ্ট, ভাষার সনদ—সব রেডি করা।
আবেদন জমা: প্রতিটা প্রোগ্রামের নিজস্ব অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেমে সরাসরি আবেদন জমা দেওয়া (কোনো কেন্দ্রীয় পোর্টাল নেই, প্রতিটা কনসোর্টিয়ামের আলাদা ওয়েবসাইট)।
প্রাথমিক স্ক্রিনিং: কনসোর্টিয়াম আবেদন সম্পূর্ণ কি না, সময়মতো জমা পড়েছে কি না যাচাই করে।
একাডেমিক মূল্যায়ন ও স্কোরিং: সিলেকশন কমিটি প্রোফাইল স্কোর করে।
ইন্টারভিউ: সেরা প্রার্থীদের অনলাইন ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়।
ফলাফল: মূল স্কলারশিপ লিস্ট ও রিজার্ভ লিস্ট প্রকাশ করা হয়।
সময়সীমার ক্ষেত্রে, বেশিরভাগ প্রোগ্রামের আবেদন খোলে অক্টোবর-নভেম্বরে এবং বন্ধ হয় জানুয়ারির মধ্যে, তার পরের শিক্ষাবর্ষে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) ভর্তির জন্য। ইন্টারভিউ সাধারণত হয় ফেব্রুয়ারি-মার্চে, আর ফলাফল আসে এপ্রিল-মে নাগাদ। মানে পুরো প্রক্রিয়াটা প্রায় ৬-৮ মাসের একটা সাইকেল। তাই ক্লাস শুরুর অন্তত এক বছর আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করাটাই নিরাপদ।
আবেদনের সময় সাধারণত যা যা জমা দিতে হয়:
পাসপোর্টের স্ক্যান কপি: নাগরিকত্ব ও পরিচয় প্রমাণের জন্য।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও ডিগ্রি সার্টিফিকেট: ব্যাচেলরের সব সেমিস্টার/বর্ষের নম্বরপত্র এবং সনদ। ইংরেজিতে না থাকলে অফিসিয়াল অনুবাদ সহ জমা দিতে হবে।
ইংরেজি দক্ষতার সনদ: IELTS/TOEFL/PTE/Duolingo—প্রোগ্রামের চাহিদা অনুযায়ী।
আপডেটেড সিভি: একাডেমিক ইতিহাস, কাজের অভিজ্ঞতা, স্কিল, প্রকাশনা বা অর্জন। নির্দিষ্ট ফরম্যাট বাধ্যতামূলক নয়, তবে সংক্ষিপ্ত ও সুগঠিত হওয়া জরুরি।
মোটিভেশন লেটার / স্টেটমেন্ট অফ পারপাস: কেন এই প্রোগ্রাম, কেন এই বিষয়, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য কী—এটাই আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
দুই থেকে তিনটা সুপারিশপত্র: শিক্ষক বা কর্মক্ষেত্রের সুপারভাইজারের কাছ থেকে, ইংরেজিতে।
অতিরিক্ত ডকুমেন্ট (প্রোগ্রামভেদে): রিসার্চ প্রপোজাল, পোর্টফোলিও, GRE/GMAT স্কোর—কোনো কোনো প্রোগ্রামে চাওয়া হতে পারে।
এই অংশটা অনেকের কাছেই অস্পষ্ট থাকে, কিন্তু বুঝে নিলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়ে যায়। পুরো মূল্যায়ন সাধারণত দুইটা মূল ধাপে হয়।
ধাপ ১ — প্রাথমিক স্ক্রিনিং ও একাডেমিক স্কোরিং
কনসোর্টিয়াম প্রথমে দেখে আবেদন সম্পূর্ণ কি না, সময়মতো জমা পড়েছে কি না, এবং ভাষা ও ডিগ্রির ন্যূনতম শর্ত পূরণ হয়েছে কি না। এই পর্যায়ে ছোট ভুল—যেমন কোনো ডকুমেন্ট মিসিং বা ভুল ফরম্যাট—আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে।
এরপর সিলেকশন কমিটি প্রতিটা আবেদনকে স্কোর করে, মূলত এই বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে:
একাডেমিক ফলাফল: GPA/CGPA এবং আগের ডিগ্রির প্রাসঙ্গিকতা।
মোটিভেশন লেটারের স্পষ্টতা: লক্ষ্য কতটা নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত।
কাজের অভিজ্ঞতা বা এক্সট্রাকারিকুলার: থাকলে বড় প্লাস পয়েন্ট, না থাকলেও আবেদন বাতিল হয় না।
সুপারিশপত্রের মান: রেফারি কতটা নির্দিষ্টভাবে আপনার সম্পর্কে লিখেছেন।
ভাষাগত দক্ষতা: স্কোর যত বেশি, তত ভালো, তবে ন্যূনতম শর্ত পূরণ হলেই সাধারণত পর্যাপ্ত।
ধাপ ২ — ইন্টারভিউ
স্কোরের ভিত্তিতে সেরা ৪০ থেকে ৬০ জন প্রার্থীকে বাছাই করে অনলাইন ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়।
ইন্টারভিউয়ে মূলত যাচাই করা হয় মোটিভেশন লেটারে লেখা কথাগুলো আসলেই প্রার্থীর নিজের চিন্তা কি না, বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান কতটা গভীর, এবং প্রোগ্রামের কারিকুলাম নিয়ে প্রার্থীর প্রস্তুতি কতটা।
ইন্টারভিউয়ের স্কোর ও আগের একাডেমিক স্কোর মিলিয়ে একটা সামগ্রিক র্যাংকিং তৈরি হয়, যার ভিত্তিতে মূল স্কলারশিপ লিস্ট ও রিজার্ভ লিস্ট তৈরি হয়।
মূল লিস্টের কেউ সরে গেলে রিজার্ভ লিস্ট থেকে জায়গা পূরণ হয়—তাই রিজার্ভ লিস্টে থাকাটাও পুরোপুরি হতাশার কিছু নয়।
মোটিভেশন লেটার বা স্টেটমেন্ট অফ পারপাসই মূল্যায়নের সবচেয়ে ভারী অংশ, তাই এখানে করা ভুলগুলো সরাসরি ফলাফলে প্রভাব ফেলে। কিছু সাধারণ ভুল যা এড়ানো উচিত:
সাধারণ ও অস্পষ্ট বাক্য: "আমি ছোট থেকেই বিদেশে পড়ার স্বপ্ন দেখতাম" বা "আমি এই বিষয়ে প্যাশনেট"—এই ধরনের লাইন প্রমাণহীন এবং হাজার হাজার আবেদনে থাকে।
সিভির পুনরাবৃত্তি: মোটিভেশন লেটারে সিভির তথ্য আবার হুবহু লিখে ফেলা। লেটারটা সিভির সম্পূরক হওয়া উচিত, প্রতিলিপি নয়।
কপি করা বা টেমপ্লেট থেকে তোলা লেখা: বন্ধু বা সিনিয়রের লেটার থেকে ধার করা কথা—প্রতিটা মানুষের গল্প আলাদা, আর অভিজ্ঞ সিলেকশন কমিটি সহজেই টেমপ্লেট লেখা চিনে ফেলে।
একই লেটার সব প্রোগ্রামে পাঠানো: প্রতিটা কনসোর্টিয়ামের জন্য আলাদাভাবে কাস্টমাইজ করা জরুরি—কেন এই নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম, কেন এই নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
কোনো গল্প বা হুক ছাড়া শুরু করা: শুরুতেই একটা নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা, সমস্যা বা মুহূর্তের কথা বললে লেখা অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়।
প্রুফরিড না করা: ব্যাকরণ বা বানান ভুল থাকলে সেটা অগোছালো মনে হয়। জমা দেওয়ার আগে অন্তত একজন অন্য মানুষকে দিয়ে পড়িয়ে নেওয়া ভালো।
মোটিভেশন লেটারে সাধারণ কথার বদলে নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা লিখুন—কোন প্রজেক্ট বা কাজ আপনাকে এই বিষয়ে আগ্রহী করেছে, প্রোগ্রামের কোন কোর্স বা ফ্যাকাল্টির কাজ আপনাকে টানছে।
অন্তত ছয় মাস থেকে এক বছর আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করুন—রেফারেন্স লেটার ও ভাষার সনদ তৈরিতে সময় লাগে।
একটার বদলে সর্বোচ্চ তিনটা প্রোগ্রামে আবেদন করুন, কিন্তু প্রতিটাকে প্রোগ্রাম-স্পেসিফিক করে সাজান।
রেফারিদের আগে থেকে অনুরোধ করে সময় দিন, শেষ মুহূর্তে চাইলে লেটারের মান খারাপ হয়।
ইন্টারভিউয়ের ডাক পেলে প্রোগ্রামের কারিকুলাম ও নিজের লেটারে লেখা কথাগুলো নিয়ে স্পষ্ট উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নিন।
ইরাসমুস মুন্ডুস স্কলারশিপ পাওয়া সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপ নিয়ে ইউরোপে পড়তে যাচ্ছেন। মূল ব্যাপারটা হলো—সময় নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া, নিজের প্রোফাইলটা সৎভাবে কিন্তু আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা, আর সঠিক প্রোগ্রাম বেছে আবেদন করা। যারা এই পথে হাঁটতে চান, তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হলো—আজই ইরাসমুস মুন্ডুস ক্যাটালগে গিয়ে নিজের বিষয়ের প্রোগ্রামগুলো দেখা শুরু করুন, ডেডলাইনগুলো নোট করে রাখুন, আর ধীরে ধীরে ডকুমেন্ট তৈরির কাজ এগিয়ে নিন।
সূত্র: European Commission-এর Erasmus Mundus Catalogue, এবং বিভিন্ন EMJMD কনসোর্টিয়ামের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে লেখা। আবেদনের আগে অবশ্যই আপনার নির্বাচিত প্রোগ্রামের অফিসিয়াল পেজে গিয়ে সর্বশেষ ও নির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ প্রোগ্রামভেদে শর্ত ও সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।